আল কোরআন
সূরা রুম
পারা ২১, আয়াত ৬০, রুকু ৬ (মাক্কী)
৩৬. আমি যখন মানুষকে অনুগ্রহ-সম্পদ দান করি, তখন তারা উৎফুল্ল হয়। আর তাদের কৃতকর্মের ফলে দুর্দশাগ্রস্ত হলে তারা হতাশায় ভেঙে পড়ে। ৩৭. ওরা কি লক্ষ্য করে না, আল্লাহই তাঁর ইচ্ছানুসারে রিজিক বাড়ান এবং তিনিই রিজিক কমান? এ বাণীর মধ্যেই বিশ^াসীদের জন্য শিক্ষা রয়েছে। ৩৮. অতএব আত্মীয়স্বজন, অভাবী ও মুসাফিরদের তাদের প্রাপ্য দেবে। আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের এটিই উত্তম পন্থা। এরাই অনন্ত কল্যাণ লাভ করবে।
৩৯. হে মানুষ! ধনসম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য তোমরা যে সুদী বিনিয়োগ করো, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের জন্য শুদ্ধচিত্তে (জাকাত হিসেবেও) যা দান করো, তা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
৪০. আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনিই তোমাদের রিজিক দিয়েছেন। তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন এবং পরে আবার জীবিত করবেন। তোমাদের কল্পিত উপাস্যদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এর কোনো একটা কাজও করতে পারে? আসলে তোমরা উপাস্য হিসেবে যাদের শরিক করো, আল্লাহ তা থেকে অনেক পবিত্র, অনেক ঊর্ধ্বে।
আল হাদিস
ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ২০৮২-২০৮৪
হাকিম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত-
নবি (ﷺ) বলেছেন, যতক্ষণ বিচ্ছিন্ন না হবে ততক্ষণ ক্রেতা-বিক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে। যদি তারা সত্য বলে ও যথাযথ অবস্থা বর্ণনা করে তবে তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হবে, আর যদি পণ্যের প্রকৃত অবস্থা গোপন করে ও মিথ্যা বলে তবে ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত চলে যাবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত-
নবি (ﷺ) বলেছেন, মানুষের উপর এমন এক যুগ অবশ্যই আসবে যখন মানুষ পরোয়া করবে না যে কীভাবে সে মাল অর্জন করল হালাল উপায়ে না হারাম উপায়ে।
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত-
যখন সূরা আল-বাকারার শেষ আয়াতগুলো নাযিল হল, তখন নবি (ﷺ) তা মসজিদে পড়ে শোনালেন। তারপর মদের ব্যাবসা হারাম বলে ঘোষণা করেন।
