Logo
Logo
×

সারাদেশ

হোমনায় বিধবা নারীর জমি দখল ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

asif

asif

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৫ পিএম

হোমনায় বিধবা নারীর জমি দখল ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

 কুমিল্লা প্রতিনিধি- কুমিল্লার হোমনায় এক বিধবা ও অসহায় নারীর জমি জবরদখলের অপচেষ্টা, নির্যাতন ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী নারী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হোমনা পৌর সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী জলি বেগম (৫৯)। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. নূর-এ আলম। সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে জলি বেগম জানান, তার স্বামী মৃত মোফাক্ষের আলী খান জীবিত থাকাবস্থায় ১৯৯৯ সালে দানপত্র দলিল (নং ৩৫৫৮/৯৬) মূলে চান্দেরচর মৌজার ১১ শতক ভূমি তাকে রেজিস্ট্রি করে দেন। উক্ত জমিতে দোকানঘর তুলে গত ৩০ বছর ধরে তিনি ভাড়া দিয়ে ভোগদখল করে আসছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তান নূর মোহাম্মদ জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত জমি নিজের নামে রেকর্ড করিয়ে নেন। বিষয়টি জানতে পেরে ২০২১ সালে জমিটির বিএস রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আদালত উক্ত জায়গায় স্থিতাবস্থা রক্ষা ও ১৪৫ ধারা জারি করলেও প্রতিপক্ষ তা অমান্য করে জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে জলি বেগম আরও জানান, প্রতিপক্ষ নূর মোহাম্মদ ও তার সহযোগীরা পূর্বেও তার ওপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। ২০১৯ সালে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হলে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গত শনিবার সন্ধ্যায় চান্দেরচর চৌমুহনী বাজারে তার দোকানঘরের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয় এবং দোকানপাটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ বিষয়েও তিনি হোমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী বিধবা নারী তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং আদালতের ১৪৫ ধারা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে নূর মোহাম্মদ তার বিরুদ্ধে সকল অফিযোগ অস্বিকার করে বলেন, জলি বেগমের (সৎ মা) জমি হলো ১৬ দাগে, আর আমার জমি ১৫ দাগে। আমার বাবা জীবিত থাকা অবস্থাতেই এই জমি আমাকে দিয়ে গেছেন। আরএস রেকর্ড অনুযায়ী, আমার বাবা তার দাদার কাছ থেকে ১৬ দাগের জমি পান। পরবর্তীতে ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে তিনি আমার ছোট মাকে দুটি দলিলের মাধ্যমে সেই জমি লিখে দেন; যার দলিল এখনো আছে। অন্যদিকে, ১৫ দাগের জমিটি ১৯৮৩ সালে আমার নানী (সাবেক ৫ দাগ থেকে) আমাকে দেন। এরপর ১৯৮৮ সালে জমিটি আমার নামে রেকর্ড হয়। তখন আমি অষ্টম শ্রেণিতে পড়তাম এবং ছোট ছিলাম; বাবাই আমার নামে এই রেকর্ড করিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে আমার শিক্ষক বাবা স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তারা একের পর এক দলিল তৈরি করেন।

 

সম্পর্কিত খবর

বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন

বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন

বাঙালির সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর

বাঙালির সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর

নারী সমাজের অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে

নারী সমাজের অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে

গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে কাঠ ব্যবসায়ী নিহত

গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে কাঠ ব্যবসায়ী নিহত

কুড়িগ্রামে ৯ বছর ধরে ড্রামের ভেলায় পারাপার ১২ হাজার মানুষের

কুড়িগ্রামে ৯ বছর ধরে ড্রামের ভেলায় পারাপার ১২ হাজার মানুষের

ঈশ^রদী উপজেলায় ৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

ঈশ^রদী উপজেলায় ৪৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

Logo

সম্পাদক : এস.এম জাহিদ আনোয়ার শামীম