আল কোরআন
সূরা আনকাবুত
পারা ২০-২১, আয়াত ৬৯, রুকু ৭ (মাক্কী)
৫৮-৫৯. অপরদিকে যারা বিশ^াস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, আমি অবশ্যই তাদেরকে জান্নাতে সুরম্য ভবন দান করব, যার পাদদেশে থাকবে প্রবহমান ঝর্নাধারা। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। সৎকর্মশীলরা আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল ও ধৈর্যশীল। তাদের জন্যে এ পুরস্কার কতই না সুন্দর!
৬০. দুনিয়ায় বহু প্রাণীই খাদ্য মজুদ রাখে না। আল্লাহ তাদের ও তোমাদের সবাইকে রিজিক দান করেন। তিনি সব শোনেন, সব জানেন। ৬১. (অধিকাংশ মানুষকেই) যদি তুমি জিজ্ঞেস করো, ‘কে মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং সূর্য-চন্দ্রের গতিপথ কে নিয়ন্ত্রণ করছেন? ওরা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ’! (আফসোস!) এরপরও ওরা (বিভ্রান্তি ও শিরকের আত্মপ্রতারণায়) ঘুরপাক খাচ্ছে।
৬২. আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা রিজিক বাড়িয়ে দেন, যার জন্যে ইচ্ছা রিজিক সীমিত করে দেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব বিষয়ই ভালো করে জানেন। ৬৩. তুমি যদি (অধিকাংশ মানুষকে) জিজ্ঞেস করো, আকাশ থেকে বৃষ্টিবর্ষণ করে শুকনো জমিনকে কে সবুজ সতেজ করে তোলে? ওরা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ’! (হে নবী!) বলো, ‘(এ কারণে) সকল প্রশংসা শুধু আল্লাহর!’ কিন্তু ওদের অধিকাংশই সহজাত বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করে না।
আল হাদিস
ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ২০৬২
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহ:) হতে বর্ণিত-
আবু মূসা আল-আশআরী (রা:) উমর ইবন খাত্তাব (রা:)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি; সম্ভবত তিনি কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাই আবু মূসা (রা:) ফিরে আসেন।
পরে উমর (রা:) পেরেশান হয়ে বললেন, আমি কি আবদুল্লাহ ইবন কায়স (আবু মূসার নাম)-এর আওয়াজ শুনতে পাইনি? তাঁকে আসতে বল। কেউ বলল, তিনি তো ফিরে চলে গেছেন। উমর (রা:) তাঁকে ডেকে পাঠালেন। তিনি (উপস্থিত হয়ে) বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উমর (রা:) বললেন, তোমাকে এর উপর সাক্ষী পেশ করতে হবে। আবু মূসা (রা:) ফিরে গিয়ে আনসারদের এক মজলিসে পৌঁছে তাঁদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আবু সাঈদ খুদরী (রা:)-ই সাক্ষ্য দেবে। তিনি আবু সাঈদ খুদরী (রা:)-কে নিয়ে গেলেন।
উমর (রা:) (তাঁর কাছ হতে সে হাদিসটি শুনে) বললেন, (কি আশ্চর্য) আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ কি আমার কাছ হতে গোপন রয়ে গেল? (আসল ব্যাপার হল) বাজারের ক্রয়-বিক্রয় অর্থাৎ ব্যবসায়ের জন্য বের হওয়া আমাকে বেখবর রেখেছে।
