আল কোরআন
সূরা আনকাবুত
পারা ২০-২১, আয়াত ৬৯, রুকু ৭ (মাক্কী)
৪৫. হে নবী! তোমার ওপর নাজিলকৃত কিতাবের বাণী সবার কাছে পৌঁছে দাও। নামাজ কায়েম করো। মনে রেখো, নিশ্চয়ই নামাজ মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করে। নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণ (জিকির) সবচেয়ে ভালো কাজ। তোমাদের সকল কাজ সম্পর্কেই আল্লাহ জানেন।
৪৬. তোমরা কিতাবিদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়ো না। তাদের সাথে সুন্দর ও অমায়িক আলোচনা করো। তবে কেউ বাড়াবাড়ি করলে তাদের পরিষ্কারভাবে বলো, আমাদের ওপর ও তোমাদের ওপর যা নাজিল হয়েছে, তা আমরা বিশ^াস করি। তোমাদের উপাস্য ও আমাদের উপাস্য একই। আর আমরা তাঁর কাছেই সমর্পিত।
৪৭-৪৯. (হে নবী!) আমি এমনভাবেই এই কিতাব তোমার ওপর নাজিল করেছি, যাতে তোমার সম্প্রদায় এবং পূর্ববর্তী কিতাবিরা এতে বিশ^াস স্থাপন করতে পারে। শুধু সত্য অস্বীকারকারীরা ছাড়া অন্য কারো পক্ষে আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কারণ তুমি তো ইত:পূর্বে কোনো কিতাব পড়ো নি এবং নিজেও কোনো কিতাব লেখো নি। যদি করতে, তাহলে অসত্যের পূজারিরা সন্দেহ করার কারণ খুঁজে পেত। সত্য এই যে, সহজাত বিচারবুদ্ধি প্রয়োগকারীদের জন্যে এই কিতাবে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি রয়েছে। শুধু হঠকারীরাই এই বাণী ও নিদর্শনাবলি অস্বীকার করতে পারে।
আল হাদিস
ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ২০৫৫-৫৬
আনাস (রা:) হতে বর্ণিত-
(একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী (ﷺ) পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, “এটা যদি সদকার খেজুর বলে সংশয় না থাকত, তবে আমি তা খেতাম।”
আবু হুরায়রা (রা:) সূত্রে হাম্মাম (রহ:) নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন “আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই।”
আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু আসিম) (রা:) হতে বর্ণিত-
নবী (ﷺ)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, সালাত আদায়কালে তার ওজু ভঙ্গের কিছু হয়েছে বলে মনে হয়, এতে কি সে সালাত ছেড়ে দেবে? তিনি বলেন, না, যতক্ষণ না সে আওয়াজ শোনে বা দুর্গন্ধ টের পায় (অর্থাৎ নিশ্চিত না হয়)। ইবনু আবু হাফসা (রহ:) যুহরি (রহ:) হতে বর্ণনা করেন, তুমি গন্ধ না পেলে অথবা আওয়াজ না শুনলে ওজু করবে না।
