সূরা কাসাস
পারা ২০, আয়াত ৮৮, রুকু ৯ (মাক্কী)
৭. আমি মুসার মায়ের কাছে প্রত্যাদেশ পাঠালাম, ‘শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়াও। তারপর তাকে নিয়ে তোমার মনে কোনো আশঙ্কা জাগলে তাকে নদীতে ভাসিয়ে দাও। কোনো ধরনের ভয় বা দুশ্চিন্তাকে প্রশ্রয় দিও না। আমি তাকে তোমার কাছেই ফিরিয়ে দেবো এবং সে হবে আমার রসুলদের একজন।’
৮. ফেরাউনের লোকজন নদী থেকে শিশুটিকে তুলে আনল। (ওরা বুঝতেও পারল না যে) এ-ই হবে ওদের শত্রু ও দু:খের কারণ। অবশ্যই ফেরাউন, হামান ও ওদের বাহিনী ছিল ঘোরতর পাপী।
৯. ফেরাউনের স্ত্রী (শিশুটিকে দেখেই) বলল, এ শিশু তো তোমার ও আমার চোখ জুড়াচ্ছে। একে হত্যা কোরো না। সে আমাদের উপকারে আসতে পারে। আবার তাকে আমরা পালকপুত্র হিসেবেও নিতে পারি। (বিনাশকারীকে যে নিজের ঘরেই পালন করতে যাচ্ছে) প্রকৃতপক্ষে তা ওরা বুঝতেই পারে নি।
সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২১৩
ইব্নু ‘উমর (রা:) হতে বর্ণিত-
নবী (ﷺ) মসজিদের কেবলার দিকে নাকের শ্লেষ্মা দেখতে পেয়ে মসজিদের লোকদের উপর রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: আল্লাহ তোমাদের প্রত্যেকের সামনে রয়েছেন, কাজেই তোমাদের কেউ সালাতে থাকাকালে থুথু ফেলবে না বা বর্ণনাকারী বলেছেন, নাক ঝাড়বে না। এ কথা বলার পর তিনি (মিম্বার হতে) নেমে এসে নিজের হাতে তা ঘষে ঘষে পরিষ্কার করলেন এবং ইবনু উমর (রা:) বলেন, তোমাদের কেউ যখন থুথু ফেলে তখন সে যেন তার বাঁ দিকে ফেলে।
