সূরা কাসাস
পারা ২০, আয়াত ৮৮, রুকু ৯ (মাক্কী)
৬৫. মহাবিচার দিবসে তিনি ওদের জিজ্ঞেস করবেন, তোমরা আমার রসুলদের কী জবাব দিয়েছিলে? ৬৬. সেদিন আত্মপক্ষ সমর্থনে বলার জন্যে ওরা কোনো শব্দই খুঁজে পাবে না, এমনকি পরস্পর সলাপরামর্শও করতে পারবে না। ৬৭. তবে যে তওবা করবে, বিশ^াস স্থাপন করবে এবং সৎকর্ম করবে, সে সফল হওয়ার প্রত্যাশা করতে পারে।
৬৮. (মনে রেখো) তোমার প্রতিপালক যা ইচ্ছা করেন, তা-ই সৃষ্টি করেন। মানুষের জন্যে সেই বিধিবিধানই তিনি পছন্দ করেছেন, যা তাদের জন্যে ভালো। এ ব্যাপারে অন্য কারো কোনো হাত নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপবিত্র, মহামহান এবং সমস্ত শরিকানার অনেক অনেক ঊর্ধ্বে!
৬৯-৭০. ওরা যা প্রকাশ করে বা ওদের অন্তর যা গোপন করে, নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক তা সবই জানেন। কারণ তিনিই আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। সৃষ্টির শুরুর সময় থেকে সৃষ্টির শেষ পর্যন্ত সকল প্রশংসা শুধুই তাঁর! সর্বময় বিচারক্ষমতাও শুধু তাঁর। তাঁর কাছেই সবাইকে ফিরে যেতে হবে।
সাহু সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২৩১
আবূ হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত-
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন: যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে আযান শুনতে না পায় আর তার পশ্চাৎ-বায়ু সশব্দে নির্গত হতে থাকে। আযান শেষ হয়ে গেলে সে এগিয়ে আসে।
আবার সালাতের জন্য ইকামত দেওয়া হলে সে পিঠ ফিরিয়ে পালায়। ইকামত শেষ হয়ে গেলে আবার ফিরে আসে। এমনকি সে সালাত আদায়রত ব্যক্তির মনে ওয়াসওয়াসা সৃষ্টি করে এবং বলতে থাকে, অমুক অমুক বিষয় স্মরণ কর, যা তার স্মরণে ছিল না। এভাবে সে ব্যক্তি কত রাকাত সালাত আদায় করেছে তা স্মরণ করতে পারে না।
তাই তোমাদের কেউ তিন রাকাত বা চার রাকাত সালাত আদায় করেছে, তা মনে রাখতে না পারলে বসা অবস্থায় দুইটি সিজদা করবে।
