সূরা কাসাস
পারা ২০, আয়াত ৮৮, রুকু ৯ (মাক্কী)
৫৬. (হে নবী!) তুমি চাইলেই কাউকে সৎপথে আনতে পারবে না। তবে যে ইচ্ছা করে, আল্লাহ তাকে সৎপথে আনেন। আর তিনি ভালো করেই জানেন কারা সৎপথ অনুসরণ করতে চায়।
৫৭. এখন অনেকে বলে, ‘আমরা যদি তোমার সৎপথ অনুসরণ করি, তাহলে তো আমাদের বাসভূমি থেকে উৎখাত হয়ে যাব।’ অথচ আমি কি তাদের এক নিরাপদ এলাকা প্রদান করি নি, যেখানে আমার ইচ্ছায় ফলমূলসহ সকল জীবনোপকরণ চলে আসে? অথচ ওদের অধিকাংশই এ সত্য জানে না।
৫৮. একদা ধনসম্পত্তিতে গর্বিত, ভোগবিলাসে মত্ত কত জনপদকেই না আমি ধ্বংস করে দিয়েছি! পরে ওদের বাড়িঘরে বসবাস করার সুযোগ খুব কম মানুষই পেয়েছে, এত বিরান হয়ে গেছে তা। পার্থিব সবকিছুই শেষ হয়ে যাবে, থাকব শুধু আমি। ৫৯. (হে নবী!) তোমার প্রতিপালক রসুল না পাঠিয়ে কোনো জনপদকেই ধ্বংস করেন নি। তিনি আগে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী বাণীসহ রসুল পাঠিয়েছেন। তারপরও যখন এর অধিবাসীরা সত্যপথে না এসে দুরাচার অব্যাহত রেখেছে, তখন তিনি তাদের বিনাশ করেছেন।
সাহু সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১২২৯
আবূ হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত-
নবী (ﷺ) বিকালের কোন এক সালাত দুই রাকাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। মুহাম্মাদ (রহ:) বলেন, আমার প্রবল ধারণা, তা ছিল আসরের সালাত। অত:পর মসজিদের একটি কাঠের খ-ের নিকট গিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার উপর হাত রাখলেন। মুসল্লিদের ভিতরে সামনের দিকে আবু বকর (রা:) ও উমর (রা:)-ও ছিলেন। তাঁরা উভয়ে তাঁর সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। তাড়াহুড়ার মুসল্লিরা বেরিয়ে পড়লেন। তাঁরা বলাবলি করতে লাগলেন, সালাত কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে?
কিন্তু এক ব্যক্তি, যাঁকে নবী (ﷺ) যুল-ইয়াদাইন বলে ডাকতেন, জিজ্ঞেস করল আপনি কি ভুলে গেছেন, না কি সালাত কমিয়ে দেয়া হয়েছে? তিনি বললেন: আমি ভুলিনি আর সালাতও কম করা হয়নি। তখন তাকে বলা হল যে, আপনি ভুলে গেছেন। তখন তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। অত:পর তাকবীর বলে সিজদা করলেন, স্বাভাবিক সিজদার ন্যায় বা তার চেয়ে দীর্ঘ। অত:পর মাথা উঠিয়ে আবার তাকবীর বলে মাথা রাখলেন অর্থাৎ তাকবীর বলে সিজদায় গিয়ে স্বাভাবিক সিজদার মত অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন। অত:পর মাথা উঠিয়ে তাকবীর বললেন।
