সুন্দরবন পর্যবেক্ষণে গিয়ে সাংবাদিকদের প্লাস্টিক বর্জ্য ও পলিথিন অপসারণ
asif
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ পিএম
বাগেরহাট প্রতিনিধি - বাগেরহাটের শরণখোলা প্রেস ক্লাবের এক ঝাঁক সাংবাদিক ২দিন ব্যাপী সুন্দরবন ও প্রাণ-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে গিয়ে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের প্লাস্টিকের বর্জ্য ও পলিথিন অপসারণের কার্যক্রম চালিয়েছে। শরণখোলার প্রেস ক্লাবের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আলী সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে শুক্রবার সকালে শরণখোলা রেঞ্জ অফিস থেকে আলী বান্দা ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র হয়ে কটকা পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছায়। বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবনের অপরূপ লীলাভূমি কটকায় দেখা মেলে পালে পালে হরিণের বিচরণ। ঐসব এলাকায় সামুদ্রিক জোয়ারে ভেসে এসে প্লাস্টিক বর্জ্য সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় আটকে যায়। ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে সকল ধরনের মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। এরপর তিন সপ্তাহ পার হলে শরণখোলার সাংবাদিকরা সুন্দরবনের পর্যবেক্ষণে গিয়ে প্লাস্টিক বর্জ্যে দেখে অপসরণের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকরা চারটি দলে ভাগ হয়ে এ প্লাস্টিক বর্জ্য অপসরণের কার্যক্রম শুরু করেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শরণখোলা রেঞ্জের কোচিখালী ও ডিমের চরে সাংবাদিকরা একইভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। শরণখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি প্রবীণ সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সুন্দরবন পর্যবেক্ষণে এসে সুন্দরবন সুরক্ষায় প্লাস্টিক বর্জ্য ও পলিথিন অপসরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় । তিনি বলেন সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা সাংবাদিকরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করতে পেরে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। আমরা সকল পর্যটককে আহ্বান জানাবো তারাও যেন কোন ভাবে নোংরা না করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করেন। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, শরণখোলার সাংবাদিকদের প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বন বিভাগের পাশাপাশি তাদের মতো সকল পর্যটক এ উদ্যোগ গ্রহণ করলে সুন্দরবনের সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকবে। তিনি সুন্দরবন সুরক্ষায় সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানান।
