সূরা শু’আরা
পারা ১৯, আয়াত ২২৭, রুকু ১১ (মাক্কী)
১২-১৪. তখন মুসা বলেছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার আশঙ্কা হচ্ছে, ওরা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করবে। তখন আমার অন্তর সংকুচিত হবে, কণ্ঠের জড়তা বেড়ে যাবে। তাই আপনি হারুনকে ওহী পাঠান। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমার ভয় হয়, ওরা আমাকে হত্যা করবে।’
১৫. আল্লাহ বললেন, না, কখনো নয়। ওরা তা পারবে না। তোমরা দুজনই আমার নিদর্শন নিয়ে যাও। আমি তোমাদের সাথেই থাকব। তোমাদের কথাও শুনব। ১৬-১৭. তোমরা ফেরাউনের কাছে গিয়ে বলো, আমরা মহাবিশে^র প্রতিপালকের রসুল। তাই আমাদের সাথে বনি ইসরাইলকে যেতে দাও।
১৮. ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মধ্যে সযতেœ লালনপালন করি নি? তুমি কি জীবনের একটা বর্ণাঢ্য সময় আমাদের মধ্যে কাটাও নি? ১৯. তারপরও তুমি (খুনের মতো) গুরুতর অপরাধ করেছ। তুমি চরম অকৃতজ্ঞ!
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১২৭
‘আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব (রা:) হতে বর্ণিত-
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এক রাতে তাঁর কন্যা ফাতিমা (রা:)-এর নিকট এসে বললেন: তোমরা কি সালাত আদায় করছ না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের আত্মাগুলো তো আল্লাহর হাতে রয়েছে। তিনি যখন আমাদের জাগাতে ইচ্ছা করবেন, জাগিয়ে দিবেন। আমরা যখন একথা বললাম, তখন তিনি চলে গেলেন। আমার কথার কোন জবাব দিলেন না। পরে আমি শুনতে পেলাম যে, তিনি ফিরে যেতে যেতে আপন উরুতে করাঘাত করছিলেন এবং কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করছিলেন- “মানুষ অধিকাংশ ব্যাপারেই বিতর্কপ্রিয়”- (সূরা আল-কাহফ ১৮/৫৪)।
