ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: শিক্ষক আটক, মাদ্রাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
asif
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পিএম
নিজস্ব প্রতিনিধি-: পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নে মধ্যরাতে মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় তৎক্ষণাৎ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করেন এলাকাবাসী। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গার পদ্মা হাসপাতালের পাশে নুরানী মাদ্রাসায় এঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আবু ইউসুফ প্রামানিক। তিনি ওই মাদ্রাসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুরের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ ৫ বছরের বেশি সময় ধরে ভাঁড়ারার দড়িভাউডাঙ্গা এলাকায় ওই মাদ্রাসা পরিচালনা করছিলেন ইউসুফ প্রামানিক। মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে তিনিও মাদ্রাসায় থাকতেন। গত বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী বাসায় যাওয়ায় ওইদিন রাতে তিনি একাই ছিলেন। মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রী রাতে বাইরে বের হলে তাকে রুমে টেনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তবে মেয়েটি দৌড়ে মাদ্রাসা থেকে বের হবার পর স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে ওই রাতেই স্থানীয়রা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এসময় মাদ্রাসায় থাকা শিক্ষার্থীদের রাতেই অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়। এদিকে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে আনার পর ওই মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এব্যাপারে পাবনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, রাতে খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মাদ্রাসা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগের ব্যাপারে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে আনার পর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে এখন ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
