মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে জ্বালানি তেল রপ্তানি
asif
প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
চলমান সংঘাত ও উত্তেজনা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়কেও ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল সোমবার জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা কেপলারের প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের চার দিনে তেল রপ্তানির পরিমাণ প্রাক-যুদ্ধকালীন গড়কে অতিক্রম করেছে। বিশেষ করে ২৪ সেপ্টেম্বর এবং ২৭ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে প্রতিদিন ১৯.৫ থেকে ২২.৫ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছায়। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে গড় রপ্তানি ছিল প্রতিদিন ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল। তবে ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার আলী ফাদাবি রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, বর্তমানে এই রুট দিয়ে প্রতিদিন মাত্র ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবাহিত হচ্ছে, যা যুদ্ধের আগের তুলনায় ‘নগণ্য’। তিনি আরও বলেন, পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও ভারত মহাসাগরে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ নেই এবং সেগুলো আইআরজিসির হামলার মুখে শতভাগ ঝুঁকিপূর্ণ। উপাত্ত পর্যালোচনা করে আরও জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাত দিনে অপরিশোধিত তেল, রাসায়নিক ও অন্যান্য তরল পণ্যের মোট সরবরাহ গড়ে ২২.৪ মিলিয়ন ব্যারেলে উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনও গত ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস জানিয়েছে, ২ অক্টোবরের পর থেকে হরমুজ প্রণালি ও এডেন উপসাগরে প্রতিদিন অন্তত একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে ইরানের প্রধান সমন্বয়কারী ও স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পুনর্ব্যক্ত করেছেন, তেহরানের প্রস্তাবিত সাত দফা পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। সূত্র: আল জাজিরা
