সূরা শু’আরা
পারা ১৯, আয়াত ২২৭, রুকু ১১ (মাক্কী)
তা-সীন-মীম। ২. এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত। ৩. হে নবী! ওরা বিশ^াস স্থাপন করছে না বলে দু:খ ভারাক্রান্ত হয়ে তুমি কি প্রাণবিসর্জন দেবে? ৪-৫. আমি ইচ্ছে করলে আকাশ থেকে এমন নিদর্শন নাজিল করতে পারি, যার সামনে ওরা মাথা নত করে ফেলবে। (কিন্তু এভাবে বাধ্য করলে তো আর পরীক্ষার কোনো অর্থ থাকে না! তাই আল্লাহ তা করেন না। এই স্বাধীনতার সুযোগ ওরা গ্রহণ করে। তাই) ওদের কাছে যখনই দয়াময়ের কোনো নতুন উপদেশ আসে, তখন ওরা তা প্রত্যাখ্যান করে। ৬. ওরা সত্য অস্বীকার করেছে। আর সত্য নিয়ে উপহাস করছে। সময় এলেই বুঝতে পারবে, ওরা কী নিয়ে হাসিতামাশা করেছে!
৭-৮. ওরা কি জমিনের দিকে তাকিয়ে একবার ভাববে না, কত চিত্তহারী প্রাণ আমি সেখানে বিকশিত করেছি। নিশ্চয়ই এর মধ্যে সুস্পষ্ট নিদর্শন রয়েছে কিন্তু ওদের অধিকাংশই তা মানতে প্রস্তুত নয়। ৯. নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাপরাক্রমশালী, পরমদয়ালু।
১০-১১. স্মরণ করো! তোমার প্রতিপালক যখন মুসাকে ডেকে বললেন, হে মুসা! তুমি দুরাচারী ফেরাউনের সম্প্রদায়ের কাছে যাও। (জিজ্ঞেস করো) ওরা কি আল্লাহ-সচেতন হবে না?
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১২৩
‘উরওয়াহ (রহ:) হতে বর্ণিত-
আয়েশা (রা:) আমাকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) (তাহাজ্জুদে) এগারো রাকাত সালাত আদায় করতেন এবং তা ছিল তাঁর (স্বাভাবিক) সালাত। সে সালাতে তিনি একটি সিজদা এত পরিমাণ করতেন যে, তোমাদের কেউ (সিজদা হতে) তাঁর মাথা তোলার পূর্বে পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করতে পারত। আর ফজরের (ফরজ) সালাতের পূর্বে তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। অত:পর তিনি ডান কাতে শুতেন যতক্ষণ না সালাতের জন্য তাঁর কাছে মুয়ায্যিন আসত।
