সূরা ফোরকান
পারা ১৮-১৯, আয়াত ৭৭, রুকু ৬ (মাক্কী)
৫৯. তিনি মহাবিশে^র সবকিছু ‘সময়ের ছয় স্তরে’ সৃষ্টি করেছেন এবং তারপর আরশে সমাসীন হয়েছেন। তিনি দয়াময়! তাঁর মহিমা সম্পর্কে যে জানে তাকে জিজ্ঞেস করো! ৬০. যখন সত্য অস্বীকারকারীদের বলা হয়, ‘দয়াময়কে সেজদা করো’, তখন ওরা বলে, ‘দয়াময় আবার কে? তুমি কাউকে সেজদা করতে বললেই কি আমাদের সেজদা করতে হবে?’ সত্যের প্রতি আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় ওদের সত্যবিমুখতাই বেড়ে যায়। [সেজদা]
৬১. কত মহামহান তিনি, যিনি মহাকাশে রাশিমালা সৃষ্টি করেছেন। স্থাপন করেছেন প্রদীপ্ত সূর্য আর জ্যোতির্ময় চন্দ্র। ৬২. পরস্পরের অনুগামী করে সৃষ্টি করেছেন রাত ও দিন। (এর মধ্যেই নিদর্শন রয়েছে জ্ঞানীদের জন্যে) যারা শোকরগোজার হতে ও শিক্ষা গ্রহণ করতে চায়।
৬৩. দয়াময়ের দাস তারাই, (এক) যারা জমিনের ওপর ন¤্রভাবে চলাফেরা করে। মূর্খরা তাদেরকে কথা বলে উত্ত্যক্ত (বা বিতর্ক সৃষ্টি) করতে চাইলে তারা বলে, তোমাদের প্রতি ‘সালাম’।
তাহাজ্জুদ সম্পর্কিত হাদিস
সহীহ বুখারী : ১১২০
ইব্নু ‘আব্বাস (রা:) হতে বর্ণিত-
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) রাতে তাহাজ্জুদের উদ্দেশ্যে যখন দাঁড়াতেন, তখন দোয়া পড়তেন- “হে আল্লাহ! আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, আপনি আসমান জমিন ও এ দু’য়ের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর নিয়ামক এবং আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা। আসমান জমিন এবং তাদের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর কর্তৃত্ব আপনারই। আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা। আপনি আসমান জমিনের নূর। আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা। আপনি আকাশ ও জমিনের মালিক, আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা। আপনিই চির সত্য। আপনার ওয়াদা চির সত্য; আপনার সাক্ষাৎ সত্য; আপনার বাণী সত্য; জান্নাত সত্য; জাহান্নাম সত্য; নবীগণ সত্য; মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্য, কেয়ামত সত্য। ইয়া আল্লাহ! আপনার নিকটই আমি আত্মসমর্পণ করলাম; আপনার প্রতি ঈমান আনলাম; আপনার উপরেই তাওয়াক্কুল করলাম, আপনার দিকেই রুজু করলাম; আপনার (সন্তুষ্টির জন্যই) শত্রুতায় লিপ্ত হলাম, আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার পূর্বাপর ও প্রকাশ্য গোপন সব অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনিই অগ্র পশ্চাতের মালিক। আপনি ব্যতীত সত্য প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, অথবা (অপর বর্ণনায়) আপনি ব্যতীত প্রকৃত কোন সত্য মা’বূদ নেই।
সুফিয়ান (রহ:) বলেছেন, আবু উমাইয়্যাহ (রহ:) তাঁর বর্ণনায় (আরবি বাক্যটি) অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। সুফিয়ান (রহ:)... ইবনে আব্বাস (রা:) সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন।
